মিরপুরে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই আজ
বাংলাদেশের সামনে ছিল ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দ্বিতীয় ওয়ানডে সিরিজ জয়ের সুবর্ণ সুযোগ। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে প্রত্যাশার ধারেকাছেও যেতে পারেনি স্বাগতিকরা। পুরো ম্যাচে পাকিস্তানের দাপটের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশ, ফলে সিরিজে ফিরেছে সমতা। এখন প্রশ্ন—প্রথম ম্যাচের দারুণ পারফরম্যান্স কি আবারও দেখাতে পারবে মেহেদী হাসান মিরাজের দল?
মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ রোববার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডে। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস ও নাগরিক টিভি।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে পাকিস্তানকে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট করে ৮ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয়। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে দৃশ্যপট ছিল একেবারেই ভিন্ন। বৃষ্টিবিঘ্নিত সেই ম্যাচে একই রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশও। শেষ পর্যন্ত ১২৮ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় শাহীন আফ্রিদির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান।
বৃষ্টির কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা খেলা বন্ধ থাকার পর ৩২ ওভারে বাংলাদেশের সামনে নতুন লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪৩ রান। ফলে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের প্রয়োজন ছিল। তবে বৃষ্টি বিরতির আগেই বিপাকে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। ২৭৫ রানের মূল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ৬.৩ ওভারে ২৭ রান তুলতেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

এ অবস্থায় সিরিজের শেষ ম্যাচে টপ অর্ডারের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। দুই ম্যাচের অভিজ্ঞতা বলছে, তৃতীয় ওয়ানডেতে যে দল ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে ভালো পারফর্ম করবে, সিরিজের পাল্লা ঝুঁকবে তাদের দিকেই। ঘরের মাঠে খেলায় বাংলাদেশের ওপর প্রত্যাশার চাপও বেশি।
এবারের মিরপুরের উইকেটও আগের মতো অনিশ্চিত আচরণ করেনি। পেসাররা গতি নিয়ে বল করলে ভালো বাউন্স পেয়েছেন এবং সেটিকে কাজে লাগিয়েছেন। অন্যদিকে স্পিনাররা খুব বেশি টার্ন না পাওয়ায় আক্রমণাত্মক ব্যাটারদের জন্য শট খেলা তুলনামূলক সহজ হয়েছে।
তাই সিরিজ জয়ের লক্ষ্য সামনে রেখে ব্যাটিং উন্নত করার ওপরই জোর দিচ্ছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তার মতে, প্রথম ১০ ওভারে পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে না পারাই দ্বিতীয় ম্যাচে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, শেষ ম্যাচে ব্যাটাররা আরও দায়িত্বশীল হয়ে খেলবে এবং দলকে ভালো শুরু এনে দেবে।
মন্তব্য করুন

