শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনে থাকছে বাংকার এবং টানেল

প্রকাশনার সময়: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি নতুন সরকারি বাসভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রস্তাবিত এই বাসভবনে আন্তর্জাতিক মানের নকশা অনুসরণ করা হবে। নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ভবনের নিচে অত্যাধুনিক বাংকার ও গোপন টানেল নির্মাণের কথাও ভাবা হচ্ছে, যা সম্ভাব্য হামলার সময় নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে কাজ করবে।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’ এখন ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অবস্থান করলেও, নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য স্থায়ী বাসভবন নির্ধারণে তেমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশান-২ এর নিজস্ব বাসভবন থেকেই সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। যদিও যমুনায় ওঠার আলোচনা ছিল, তবে সেটিকে তিনি স্থায়ী বাসভবন হিসেবে বিবেচনা করছেন না; বরং রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের স্থান হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, নতুন বাসভবনের জন্য রাজধানীর হেয়ার রোড, মিন্টো রোড এবং বেইলী রোড এলাকায় সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করা হচ্ছে। সচিবালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সংসদ ভবনের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ নিশ্চিত করাই এই নির্বাচনের প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীরা ইতোমধ্যে সম্ভাব্য স্থানগুলো যাচাই-বাছাই শুরু করেছেন। প্রয়োজনে একাধিক ভবন অধিগ্রহণ করে সমন্বিতভাবে বাসভবন নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয় পর্যায়ে নেওয়া হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন বাসভবনে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। এতে থাকবে উন্নত নজরদারি, সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহারের জন্য ভূগর্ভস্থ নিরাপদ অবকাঠামো।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, একটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য স্থায়ী ও নিরাপদ বাসভবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিবেচনায় সময় নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য করুন