শিরোনাম

আ. লীগ নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, বিএনপি নেতাকর্মীসহ কারাগারে ৬

প্রকাশনার সময়: ১৯ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:১৮ অপরাহ্ন

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বরগুনায় এক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির নেতাকর্মীসহ ছয়জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। অভিযুক্তরা আদালতে স্থায়ী জামিন আবেদন করলেও তা নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে বরগুনার দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক এস. এম. শরিয়ত উল্লাহ এ আদেশ দেন। বরগুনার দ্রুত বিচার আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ইসরাত হোসেন সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বরগুনা সদর উপজেলার ৯ নম্বর এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি ও স্থানীয় ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। সেদিন তার দোকানে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরে ওই বছরের ২৫ আগস্ট মনিরুজ্জামানের স্ত্রী মোসা. মুন্নী বাদী হয়ে ২২ জনকে অভিযুক্ত করে বরগুনার দ্রুত বিচার আদালতে মামলা করেন।

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন- এম বালিয়াতলী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মিল্টন (৪৪), যুবদল নেতা মো. জামাল মল্লিক (৪৫), ওই ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান কবির ইউনুস (৪৬), জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক মিলন (৪৫), ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আকতারুল হক (৪৫) এবং শিক্ষক মো. মন্টু মল্লিক (৫০)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী মোসা. মুন্নীর স্বামী মনিরুজ্জামান এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের মাইঠা এলাকায় একটি স্থানীয় বাজারে সার, কিটনাশকসহ বিভিন্ন ধরনের বীজ পাইকারী ও খুচরা বিক্রির ব্যবসা করতেন। পাশাপাশি তিনি মোবাইলের সিম, রিচার্জ এবং বিকাশ এজেন্টের কাজ করতেন। গত বছরের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর রাত ৮টার দিকে প্রায় দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে রামদা, ছেনা, লোহার রড, বাঁশের লাঠিসহ বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অভিযুক্তরা মনিরুজ্জামানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসেন। 

তারা মনিরুজ্জামানকে চাঁদার দাবিতে হুমকি দেন, কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করেন। এরপর অস্ত্রের মুখে মনিরুজ্জামান ও তার ছেলেকে মারধর করে বিভিন্ন মালামাল ও নগদ টাকা লুটপাট করেন তারা।

মন্তব্য করুন