২০ বছরের ইতিহাসে সর্বনিম্ন পাসের হার সিলেট বোর্ডে
চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ। এ বছর ৭১ হাজার ৮৯৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৩৬ হাজার ৫৯৭ জন। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন।
এ বছরও সিলেট শিক্ষা বোর্ডের ২০ বছরের ইতিহাসে সর্বনিম্ন ফল। ২০০৬ সালে সিলেট শিক্ষাবোর্ড প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাসের হার ৬০ শতাংশের নিচে ছিল না। সর্বশেষ গত বছর ছিল ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এবার আরও কমেছে। আর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ হাজার ৬০২ জন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডের হলরুমে ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন। এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক শেখ মো. নজরুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সিস্টেম অ্যানালিস্ট আতিকুর রহমান।
বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৬৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এ বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৮০ জন। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৪৬ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৭০ জন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। এ বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫৪ জন।
পাসের হারে মেয়েরা এগিয়ে থাকলেও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় ছেলেরা এগিয়ে রয়েছেন। এ বছর ২৮ হাজার ৯৩৫ জন ছেলে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ১৪ হাজার ৯৬ জন। তাদের পাসের হার ৪৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬১৩ জন। অন্যদিকে, ৪২ হাজার ৯৫৮ জন মেয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ২২ হাজার ৫০১ জন। তাদের পাসের হার ৫২ দশমিক ৩৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫৯১ জন।
জেলাভিত্তিক ফলে সিলেট জেলায় ৩০ হাজার ৯৫৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ১৭ হাজার ৮৩৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯০৩ জন। সুনামগঞ্জ জেলায় ১৩ হাজার ৬৬৭ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৬ হাজার ২৮৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৬ জন। মৌলভীবাজার জেলায় ১৪ হাজার ৫৭০ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৬ হাজার ৩৮৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৫১ জন। আর হবিগঞ্জ জেলায় ১২ হাজার ৬৯৯ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৬ হাজার ৮৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১০৪ জন।
মন্তব্য করুন

